Posts

পাঁচ জেলার ইংরেজি বানান পরিবর্তন করা হয়েছে।

Image
পাঁচ জেলার ইংরেজি বানান পরিবর্তন করা হয়েছে।ইংরেজি বানান পরিবর্তন হওয়া এই পাঁচ জেলা হলো- চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বরিশাল, যশোর ও বগুড়া।
এর মধ্যে নতুন নিয়মে -----
চট্টগ্রামের নাম = Chattogram,
কুমিল্লার = Cumilla,
বরিশাল = Barishal,
যশোর  = Jashore এবং
বগুড়া  = Bogura.পূর্বে যথাক্রমে এসব জেলার নামের ইংরেজি বানান ছিল Chittagong, Comilla, Barisal, Jessore ও Bogra.আমারও একটা প্রস্তাবনা আছে- যেটা সবার আগে পরিবর্তন করা উচিত-
বাঙালী কেন Bengali হবে?
তাহ্লে Bangali করা হোক এটাকে।ময়ময়নসিংহ কেন "My men sing h"
---- "আমার মানুষ গুলো গান গাঁয়" কিন্তু ক্যামনে ?উক্ত নিয়মানুসারে তবে তো এমন হাজার কে হাজার পরিবর্তন করা দরকার!#আজিব_বাঙালী

একদিন তো মরেই যাব! এ কেমন ট্রেন্ড?

Image
এত খেয়ে/নেয়ে/গেঁয়ে/হেসে/হেগে/খেলে/পেদে/শুয়ে/বসে/চিত হয়ে/কাত হয়ে/উপুড় হয়ে/ভুট হয়ে/উচুঁ হয়ে/নীচু হয়ে/ সিজি দিয়ে কি হবে??????
------একদিন তো মরেই যাবো!#হ্যাশট্যাগ দিয়ে "একদিন তো মরেই যাবো" ট্রল করে যাচ্ছেতাই লেখা আর তার Readers/ Viewers রা এইটা দেখেই গড়পত্তাই হাহা রিঅ্যাক্ট আর ফানি ফানি কমেন্ট করে Just Kidding হিসেবে চালিয়ে দিলেই মনে হচ্ছে যেন উক্ত পোস্টধারীদের লাইফের গোল অর্জন হয়ে যাচ্ছে, তারা তাদের ডেসটিনেশনে পৌঁছে যাচ্ছে।
এটা কি ধরণের ট্রেন্ড রে ভাই??সত্যি কথা বলতে কি, এখনো পর্যন্ত আমার লিস্টের যতলোকের এই পোস্ট দেখেছি তাদের সিংহভাগই বার্চিটির ইসঠুডেন্ঠ (ভার্সিটির স্টুডেন্ট)।
আর উনাদের বেশীরভাগ ট্রলই
"মৃত্যু + সিজি আর পড়াশোনা"
নিয়ে, Whatever, কিন্তু ভাই আপনাকে আরো ১০ জন ফলো করে, এখন আপনার পোস্ট যদি হয় মৃত্যু নিয়ে ট্রল করা তাইলে আপনার ফলোয়ারদের অবস্থা কেমন হতে পারে, আমার চেয়ে আপনি ভালো জানবেন। কাহিনী এখানেই শেষ না! এখন অনেকেই বলবে, আচ্ছা ইংল্যান্ড (ফ্রেন্ড), আমিতো এখনো মৃত্যু নিয়ে ট্রল করিনি, তাহলে কি আমাকে এ গাতি (জাতি) মেনে নিবে? ( Cause it's a New #Trend)#হা…

শ্রীপুরের ট্যাবলেট

Image
কোচিং এর কাজে খুলনা যাচ্ছিলাম। গুলিস্তান টু মাওয়ার একটা গাড়িতে উঠে, দেখি চলিতেছে সার্কাস, নাই দর্শকের অভাব। আহ কি তামাশা!
পাঁচ মিনিট পর গাড়ি ছাড়বে বলাতে টিকিট কেটেছি, কিন্তু গাড়িটা টেক অফ করতে ঘন্টা খানিকের ও বেশী সময় লাগালো।
কেরানীগঞ্জের বাবুবাজার ব্রীজ পার হওয়া পর্যন্ত যে কত কোটি বিলিয়ন ধুলাবালি বাসে ঢুকেছে, তার হিসাব করা গেলেও, বাস যে কতবার থেমে থেমে যাত্রী উঠায়ছে (যদিও আর পা ফেলার জায়গা ছিলনা) তার হিসাব মিলানো এখনো সম্ভব হয়নি। এমনটায় চলমান ছিল শ্রীনগর এর কিছুটা আগে পর্যন্ত।  অতঃপর বিরক্তপূর্বক, পাশের সিটের লোককে সাইডে রেখে, জোর করে গেটটা লক করে দিতে উঠে গেলাম।
অার কনডাক্টরকে বল্লাম, শ্লা বাস আর এক জায়গাতেও যাত্রী উঠাতে দাঁড়াইলে, তখন কিন্তু মাইর খাবি।
--কনডাক্টর: আচ্ছা ভাই আর থামবো না। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে তারপর একটু ঝিমাচ্ছিলাম,
অতঃপর হঠাৎ বিকট আওয়াজে,
---আপনারা ঠিকই মাওয়াঘাটে চলে যাবেন!
আমিও গাড়ি থেকে নেমে যাব,
কিন্তু আপনাদের
হাতে-পায়ে, বুকে-পিঠে, 
মাজায়-কোমরে, লুঙ্গীর ভিতরে 
সেই ব্যাথা-দুব্বলতা কিন্তু থেকে যাবে।
বাস তারপর আর যাত্রী না উঠালেও শ্রীনগরে একজন যাত্রীকে নামাতে দাঁড়িয়েছ…

একুশে বইমেলা ২০১৮, মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান

Image
৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮।
সকালে ঘুমাচ্ছিলাম, Asif Imtiz স্যার ফোন দিয়ে FBS, Conference রুমে যেতে বল্লেন, সাথে ১৫/১৬ জন কে নিয়ে যেতে বল্লেন তাড়াতাড়ি,  অফ ডে হওয়ায় বন্ধুরা সব ঘুমাচ্ছে তখন। তাই সাথে ৫/৭ জন বন্ধু, কিছু স্টুডেন্টস আর কিছু জুনিয়রসহ মোট ৩২ জন কে নিয়ে যেয়ে দেখি, স্যারের মামার (ঔপন্যাসিক শিকদার কচি কবির) লেখা "অন্তহীন" উপন্যাস বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করবেন।
(আমি তাড়াতাড়ি টি-শার্ট পরেই একেবারেই ইনফরমালি গেছিলাম, কিন্তু সেখানে যেয়ে দেখি সবাই ফরমাল লুকিংস)।  মোড়ক উন্মোচনে, ১০-১২ জন এসেছিলেন ইংল্যান্ড থেকে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও গুটি কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন,
সাথে আরো ছিলেন দেশ-বিদেশ খ্যাত কৃষ্ণচূড়া ব্যান্ডদল।
(নিজেকে আতেল মনে হতে লাগলো।) একটু পর বইটির মোড়ক উন্মোচনে স্যার লেখকের বোন কে ডাক দিলেন, তিনি যেতে না যেতেই স্যার আমাকে ও ঈশান ভাইকে ডাক দিলেন। (আমি হতবাক এই লুকিংস এ ক্যামনে সামনে যাই, যেখানে সামনে ছিলেন দেশ-বিদেশের অনেক সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ, আর আমি নালায়েক লজ্জার বাপরে মায় বলে অতঃপর স্টেজে)। যাইহোক, অবশেষে উন্মোচন করলাম, একজন  প্রবাসীর বাংলার প্রতি মায়া ও ভালবাসায় রচিত,…

ভালোবাসার শিরোনাম কি আর দিবো?

Image
যারা ভালোবাসে, তারা কখনো সকালে ‘গুড মর্নিং’ বলে না।
তারা বলে ‘কী ব্যাপার, ঘুম ভেঙেছে? নাকি এখনো পড়ে পড়ে ঘুমানো হচ্ছে?"
.
যারা ভালোবাসে, তারা কখনো ঘুমানোর আগে ‘গুড নাইট’ বলে ঘুমায় না।
তারা ঘুমানোর আগে বলে, ‘তাড়াতাড়ি ঘুমাও। খবরদার ফেসবুকে যাবা না, কারো সাথে চ্যাট করবা না! কথা না শুনলে কিন্তু খুন করে ফেলবো!
.
যারা ভালোবাসে, তারা কথায় কথায় ‘আই লাভ ইয়্যু’ বলে বলে মুখে ফেঁনা তুলে ফেলে না।
তার কিঞ্চিত অভিমানের সুরে মিষ্টি খোঁচা মেরে বলে, ‘তুমি আমায় ভালোই বাসো না!’
.
যারা ভালোবাসে, তারা কখনো কথায় কথায় ‘আই মিস ইউ’ বলে না।
তারা নীরবতা ভেঙে হঠাৎ করেই বলে ওঠে ‘আমাকে আর মনে পড়ে না তাই না?’
.
যারা ভালোবাসে, তারা কথায় কথায় ‘তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে’ বলে না।
ভালোবাসার মানুষটিকে দেখেই তাদের মুখটা অনরকম এক মুগ্ধতায় ভরে যায়। কিছু কিছু নীরবতা হাজারো প্রশংসার সমান!
.
যারা ভালোবাসে, তারা কখনো ‘ও আমার বিএফ/ও আমার জিএফ’ বলে না।
তারা নিজের ভালোবাসার মানুষটার কথা কারও কাছে বলতে গেলে কনফিউজড হয়ে যায়। তাকে কী বলে সম্বোধন করবে সেটা নিয়ে!
.
ভালোবাসা আর রিলেশন করার মধ্যে অনেক পার্থক্য। আকাশ-পাতাল পার্থক্য!©সংগৃহ…

এক্সট্রোভার্ট আর ইন্ট্রোভার্টের মাঝামাঝি একটা জাত আছে। অ্যামবিভার্ট বলে এদের।

Image
এক্সট্রোভার্ট আর ইন্ট্রোভার্টের মাঝামাঝি একটা জাত আছে। অ্যামবিভার্ট বলে এদের। জীবনের কোনো পর্যায়ে আপনি লিস্ট করতে বসলেন, আপনি এক্সট্রোভার্ট না ইন্ট্রোভার্ট, কিছু বৈশিষ্ট্য মিলে গেল এক্সট্রোভার্ট, কিছু ইন্ট্রোভার্টের সাথে...আর কিছু মিললোই না, স্বাগতম... আপনি মাঝামাঝি গোত্রে আছেন।
.
অ্যামবিভার্টরা খুব সহজে মানুষের সাথে মিশে যেতে পারে, গুটিয়ে থাকা এদের ধর্ম না। এরা কথা বলতে পারে, কিন্তু এদের একদম ভেতরের শব্দগুলো অল্প কিছু মানুষের জন্য। অচেনা আগন্তুকদের হাত বাড়িয়ে হাসিমুখে তারা সম্ভাষণ দিতে পারে,কিন্তু ডিপ কনভার্সেশন অথবা ডিপ শেয়ারিং এর জন্য এরা কমফোর্ট জোন খোঁজে, ট্রাস্ট খোঁজ, কাছের দু-একটা মানুষ খোঁজে। এরা কোলাহল পছন্দ করে কিন্তু ভালোবাসে নৈশ্যব্দ। মিটিং,পার্টি, হ্যাং আউটে তাদের আপত্তি থাকলেও কাছের মানুষদের বেলায় চিত্র পুরোটাই উল্টো; ইয়ারফোন কানে দিয়ে হুট করে জগত থেকে হারিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও তাদের জুড়ি মেলা ভার। অনেক ক্ষেত্রে এবং বেশিরভাগের সাথে তারা স্বল্পভাষী, তবে প্রিয় বিষয় নিয়ে প্রিয় মানুষদের সাথে কথা বলে যায় ঘন্টার পর ঘন্টা। বেশি মানুষের সান্নিধ্য যখন অসহ্য বোধ হয়, তখন তারা ডুব দেয়…

আজ তুমি নেই বলে......

Image
আজ থেকে আরও পাঁচ- ছয় বছর পরের গল্পটা যদি এমন হয়।আমরা দুজনেই সরকারী চাকুরীজীবী। তোমাকে প্রতিদিন মোটর সাইকেলের পিছনে করে নিয়ে অফিসে পৌঁছে দিব।অফিস থেকে ফেরার পথে রাস্তার পাশে বসে থাকা কোনো অজ্ঞাত মামার কাছ থেকে তোমার পছন্দের বেলপুরী আর ফুচকা খাবো।হঠাৎ বেখেয়ালে ফুচকা ভেঙে যদি রসে মাখামাখি হয়ে যায়, তখন আমি আঙ্গুল দিয়ে আলতো করে মুছে দিবো।বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে দুজনেই যখন ড্রেসিংটেবিলের আয়নায় একসাথে মুখ দেখব,তখন আয়নাতে আমার দিকে তাকিয়ে তুমি মিষ্টি করে একটা ভেংচি কাটবা। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে (যদি শিক্ষক হই) যাওয়ার আগ মুহূর্তে ব্যাগটা আগিয়ে দিবা আর বলবা ” এই যে স্যার শার্টের বোতামটা লাগানো হয় নি এদিকে আসুন,এই বলে বোতামটাও লাগিয়ে দিবা। আমি শুধু ভ্যাবাচ্যাকা হয়ে তাকিয়েই থাকব।।পহেলা বৈশাখে তুমি লাল শাড়ি পরবা যাতে দেখামাত্র জায়গায় খুন হয়তে পারি।চলতেই থাকবে এভাবে…..(বি:দ্র: আলগা ফ্লার্ট ছাড়া অন্য কিছু ভাবলে ভুল হবে)।